শিশুদের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমাতে কী করবেন
বর্তমানে ছোট-ছোট ছেলেমেয়েদের স্মার্টফোনের প্রতি আসক্তির কারনে প্রায় প্রতিটি মা বাবাই চিন্তা গ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। এখনকার ছেলে-মেয়েরা স্কুল কিংবা প্রাইভেট থেকে ফেরার পরপরি স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। দেখা যায় যে তারা অধিকাংশ সময় ফোন নিয়েই পড়ে থাকে। অথচ আমরা যারা নব্বই দশকের অথবা তার আগের জেনারেশন তারা পড়াশোনা এবং বাড়ির টুকিটাকি কাজের পর অবসর সময়ে মাঠে বা বাড়ির বাইরে ফুটবল ক্রিকেট হাডুডু সহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার মাধ্যমে সময় কাটাতাম। এর মাধ্যমে আমাদের শারীরিক ব্যয়ামের পাশাপাশি মানষিক বিকাশও ঘটত।
তবে এখনকার ছেলেমেয়েদের স্মার্টফোনের প্রতি আসক্তি দেখলে মনে হয় তারা মানষিকভাবে অনেকটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর জন্যে যে শুধু তারা নিজেরাই দায়ী তা কিন্তু নয়। এক্ষেত্রে পিতা মাতার দায়দায়িত্ব অনেক। তবে আপনি চাইলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনার সত্নানের স্মার্টফোনের প্রতি এই আসক্তি দূর করতে পারেন।আজ আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যার মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানের এই আসক্তি কমাতে পারেন।
বাড়িতে খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা
বাড়িতে অবস্থানকালে শিশুরা যাতে স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্ত না হয়ে পড়ে সে জন্য বাড়িতেই বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে।যেমন লুডু, ক্যারম, দাবা ইত্যাদি খেলাধুলার মাধ্যমে ছেলে-মেয়েদের ফোন থেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়। এর পাশাপাশি আপনার সন্তানকে বাইরে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহি করে তুলতে হবে। তবে ক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে যে, কোন খারাপ সংগের কারনে আপনার সন্তান যেন বিপথে না যায়।
শিশুদের সামনে স্মার্টফোন ব্যবহারে বিরত থাকা
যতদুর সম্ভব শিশুদের সামনে স্মার্টফোন ব্যবহারে বিরত থাকতে হবে। আমরা এই বিষয়টা অনেকেই মাথায় না নিয়ে শিশুদের সামনেই স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। আবার অনেক সময় আমাদের ছেলে-মেয়েরা যখন খেতে চাইনা বা পড়তে চাইনা তখন আমরা তাদের হাতে ফোন তুলে দেই। এভাবে অভ্যস্থ হতে হতে এক সময় এমন পরিস্থিতি আসে যখন তারা ফোন ছাড়া আর খেতেই চাইনা। তাই তাদের হাতে ফোন দেয়ার চাইতে অন্য কোন পন্থা অবলম্বন করাই উত্তম।
সৃজনশীল কাজে প্রতি উৎসাহ প্রদান
শিশুরা কোমলমতি হওয়ার কারনে ছোটবেলার শিক্ষাই সারাজীবনের শিক্ষা হয়ে থাকে। একটি শিশুকে আপনি যা শেখাবেন সে তাই শিখবে। শিশুদেরকে বিভিন্ন প্রকার সৃজনশীল কাজে প্রতি উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখা সম্ভব।আপনার সন্তান যেই ধরনের কাজ করতে ভালোবাসে বা আগ্রহ প্রকাশ করে তাকে সেই তাকে সেই কাজের প্রতি উৎসাহ প্রদান করুন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবা মুলক কাজের প্র্তি আগ্রহি করে তোলার মাধ্যমে তাদের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমানো সম্ভব।
সন্তানকে সময় দিন
আপনার সন্তানের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমানোর সবচাইতে উত্তম মাধ্যম বা উপাই হলো সন্তানকে সময় দেয়া।নানা ব্যস্ততার কারনে আমরা ছেলে মেয়েদেরকে সময় না দিয়ে তাদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেই। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি ছেলেমেয়েদের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তির মুল কারন এটাই। তবে আমরা না চাইলেও অনেক সময় বাধ্য হয়ে তাদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিতে হয়। তবে সেটা যেন শুধু প্রয়োজন পর্যন্তই বিদ্যমান থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
শিশুদের খেলাধুলার উপকরন সামগ্রি কিনে দিন
স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমানোর জন্যে আপনার সন্তানকে খেলাধুলা করার মত সামগ্রি কিনে দিন। এক্ষেত্রে সাইকেল হতে বেস্ট উপকরন। সাইকেল চালানোর মাধ্যমে আপনার সন্তান সময় কাটানোর পাশাপাশি শারিরিক ব্যয়ামও করতে পারে। এসব কাজের প্রতি যদি একবার আপনার সন্তানকে আগ্রহি করে তুলতে পারেন তাহলে অবশ্যই স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমে আসবে।
তবে এখনকার ছেলেমেয়েদের স্মার্টফোনের প্রতি আসক্তি দেখলে মনে হয় তারা মানষিকভাবে অনেকটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর জন্যে যে শুধু তারা নিজেরাই দায়ী তা কিন্তু নয়। এক্ষেত্রে পিতা মাতার দায়দায়িত্ব অনেক। তবে আপনি চাইলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনার সত্নানের স্মার্টফোনের প্রতি এই আসক্তি দূর করতে পারেন।আজ আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যার মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানের এই আসক্তি কমাতে পারেন।
বাড়িতে খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা
বাড়িতে অবস্থানকালে শিশুরা যাতে স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্ত না হয়ে পড়ে সে জন্য বাড়িতেই বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে।যেমন লুডু, ক্যারম, দাবা ইত্যাদি খেলাধুলার মাধ্যমে ছেলে-মেয়েদের ফোন থেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়। এর পাশাপাশি আপনার সন্তানকে বাইরে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহি করে তুলতে হবে। তবে ক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে যে, কোন খারাপ সংগের কারনে আপনার সন্তান যেন বিপথে না যায়।
শিশুদের সামনে স্মার্টফোন ব্যবহারে বিরত থাকা
যতদুর সম্ভব শিশুদের সামনে স্মার্টফোন ব্যবহারে বিরত থাকতে হবে। আমরা এই বিষয়টা অনেকেই মাথায় না নিয়ে শিশুদের সামনেই স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। আবার অনেক সময় আমাদের ছেলে-মেয়েরা যখন খেতে চাইনা বা পড়তে চাইনা তখন আমরা তাদের হাতে ফোন তুলে দেই। এভাবে অভ্যস্থ হতে হতে এক সময় এমন পরিস্থিতি আসে যখন তারা ফোন ছাড়া আর খেতেই চাইনা। তাই তাদের হাতে ফোন দেয়ার চাইতে অন্য কোন পন্থা অবলম্বন করাই উত্তম।
সৃজনশীল কাজে প্রতি উৎসাহ প্রদান
শিশুরা কোমলমতি হওয়ার কারনে ছোটবেলার শিক্ষাই সারাজীবনের শিক্ষা হয়ে থাকে। একটি শিশুকে আপনি যা শেখাবেন সে তাই শিখবে। শিশুদেরকে বিভিন্ন প্রকার সৃজনশীল কাজে প্রতি উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখা সম্ভব।আপনার সন্তান যেই ধরনের কাজ করতে ভালোবাসে বা আগ্রহ প্রকাশ করে তাকে সেই তাকে সেই কাজের প্রতি উৎসাহ প্রদান করুন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবা মুলক কাজের প্র্তি আগ্রহি করে তোলার মাধ্যমে তাদের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমানো সম্ভব।
সন্তানকে সময় দিন
আপনার সন্তানের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমানোর সবচাইতে উত্তম মাধ্যম বা উপাই হলো সন্তানকে সময় দেয়া।নানা ব্যস্ততার কারনে আমরা ছেলে মেয়েদেরকে সময় না দিয়ে তাদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেই। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি ছেলেমেয়েদের স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তির মুল কারন এটাই। তবে আমরা না চাইলেও অনেক সময় বাধ্য হয়ে তাদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিতে হয়। তবে সেটা যেন শুধু প্রয়োজন পর্যন্তই বিদ্যমান থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
শিশুদের খেলাধুলার উপকরন সামগ্রি কিনে দিন
স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমানোর জন্যে আপনার সন্তানকে খেলাধুলা করার মত সামগ্রি কিনে দিন। এক্ষেত্রে সাইকেল হতে বেস্ট উপকরন। সাইকেল চালানোর মাধ্যমে আপনার সন্তান সময় কাটানোর পাশাপাশি শারিরিক ব্যয়ামও করতে পারে। এসব কাজের প্রতি যদি একবার আপনার সন্তানকে আগ্রহি করে তুলতে পারেন তাহলে অবশ্যই স্মার্টফোন এর প্রতি আসক্তি কমে আসবে।
